logo
ads

আবাসিক এলাকা থেকে বাংলা মদের দোকান স্থানান্তরের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন

তামিম রায়হান

প্রকাশকাল: ৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৫ পি.এম
আবাসিক এলাকা থেকে বাংলা মদের দোকান স্থানান্তরের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে  আবেদন

প্রতিকী ছবি

সুনামগঞ্জ পৌরসভার আরপিন নগর ৬নং ওয়ার্ডের ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকা ও আরপিন নগর জামে মসজিদের পাশ থেকে পরিচালিত বাংলা মদের দোকান (পাট্টা) শহরের বাইরে নির্জন স্থানে স্থানান্তরের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে পুনরায় লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

শনিবার (৫ জুলাই ২০২৬) ওয়ার্ডবাসীর পক্ষে স্থানীয় বাসিন্দা আমির হোসেন জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদনটি জমা দেন। আবেদনে বলা হয়, আবাসিক এলাকার মধ্যে মদের দোকান পরিচালিত হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে, যুবসমাজ বিপথগামী হচ্ছে এবং কোমলমতি শিশুদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

আবেদন সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম বাজার এলাকার ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক পরিবেশ এবং আরপিন নগর জামে মসজিদের পাশেই দীর্ঘদিন ধরে বাংলা মদের দোকানটি পরিচালিত হয়ে আসছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এর ফলে এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

এলাকাবাসী জানান, বিষয়টি নিয়ে এর আগেও বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিক লিখিত আবেদন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জুন মাদক বিরোধী ঐক্য পরিষদ, ১৭ জুন ওয়ার্ডবাসীর পক্ষে আমির হোসেন, ২৩ জুন ইমাম-মোয়াজ্জিন পরিষদ, সুনামগঞ্জ এবং ২৮ জুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সুনামগঞ্জ বরাবর পৃথক আবেদন জমা দেওয়া হয়।

আবেদনকারী আমির হোসেন বলেন, “একাধিক লিখিত আবেদন ও গণদাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং দোকানটি থেকে বিভিন্ন এলাকায় বাংলা মদ বিক্রি ও পাচারের অভিযোগ আরও বেড়েছে।”

স্থানীয়দের দাবি, মোটরসাইকেল ও অটোরিকশায় করে মদ পরিবহন ও বিক্রির কিছু ভিডিওচিত্র সংগ্রহ করে প্রমাণ হিসেবে একটি পেনড্রাইভ জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। তাদের ভাষ্য, যেখানে এসব কার্যক্রম চলছে, তার পাশেই শিশু-কিশোররা খেলাধুলা করে। ফলে তাদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশ নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আবেদনে লাইসেন্সের শর্ত যথাযথভাবে প্রতিপালনের বিষয়টি উল্লেখ করে জনস্বার্থে বাংলা মদের দোকানটি দ্রুত শহরের বাইরে উপযুক্ত স্থানে স্থানান্তরের দাবি জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে আবেদনপত্রের অনুলিপি পুলিশ সুপার, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক, পৌর প্রশাসক এবং সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবরও পাঠানো হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

এই বিভাগের আরও খবর

Advertisement

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ