সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে নিখোঁজ থাকা এক ঠেলাগাড়ি চালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম আব্দুল হামিদ (৪৮), তিনি জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নের তেলিয়াপাড়া গ্রামের আয়ান উল্লাহ’র ছেলে। তিন দিন ধরে তিনি নিখোঁজ ছিলেন বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে তার বাড়ি থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের তেরানগর গ্রামের কাছের দোলতা নদীর সেতুর দক্ষিণ অংশে জামালগঞ্জ-নওমৌজা পাকা সড়কের পাশ থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, জামালগঞ্জ-নওমৌজা পাকা সড়ক ফেনারবাঁক ও ভীমখালী ইউনিয়নের অন্তত ২০ টি গ্রামের মানুষ চলাচল করেন। গতকাল বুধবার বিকেল পর্যন্ত সড়কের পাশে কোন মরদেহ কেউ দেখতে পায়নি কেউ। কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার সকালে পথচারীরা হটাৎ করে সড়কের পূর্ব পাশে একটি লাশ দেখতে পায়। স্থানীয় লোকজন এলাকার বাসিন্দা ভীমখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আখতারুজ্জামানকে অবগত করেন। পরে থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ অজ্ঞাতনামা হিসেবে লাশটি উদ্ধার করে। উদ্ধারের পর এলাকার লোকজন জানান লাশটি নিখোঁজ ঠেলাগাড়ি চালক হামিদ মিয়ার।
ভীমখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আখতারুজ্জামান বলেন,‘ স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। আমাদের ধারনা অন্য কোথাও তাকে মেরে বা অন্য কোথাও মৃত্যুর পর এখানে তার লাশ ফেলে রাখা হয়েছে। কারণ এটি একটি প্রধান সড়ক, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শতশত লোক চলাচল করেন। গতকাল বিকেল পর্যন্ত কারো নজরে লাশ পড়েনি। হয়ত গেল রাতে সড়কের পাশের লাশটি ফেলে রেখে গেছে কেউ। লাশ উদ্ধারের পর জানা গেছে তার নাম আব্দুল হামিদ, বাড়ি জামালগঞ্জ উপজেলা সদরের তেলিয়াপাড়ায়। তিন দিন ধরে নাকি তিনি নিখোঁজ ছিলেন।’
জামালগঞ্জ থানার এস আই মাহমুদ বলেন,‘ স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে তেরানগর গ্রামের সেতুর দক্ষিণ পাড় এলাকায় সড়কের পাশে থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।’

