সুনামগঞ্জের শাল্লায় মোটরসাইকেল সমিতির এক সদস্যের চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার ও চিহ্নিত চোর ফয়সল আহমেদকে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রবিবার দুপুরে শাল্লা উপজেলা মোটরসাইকেল সমিতির আয়োজনে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে দিয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়। এতে বিভিন্ন এলাকার মোটরসাইকেল সমিতির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
উপজেলা মোটরসাইকেল সমিতির সভাপতি জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সদস্য অনজিত দাশের সঞ্চালনায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, কৃষ্ণপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক প্রীতেশ দাশ, শাল্লা উপজেলা মোটরসাইকেল চালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহীন আলম, সমিতির উপদেষ্টা সেকুল আহমদ, সংগ্রাম দাশ, সদস্য সাগর দাশ, দিরাই মোটরসাইকেল সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাদল দাস, শ্যামারচর মোটরসাইকেল সমিতির সহ সভাপতি মাসুম মিয়া, আনন্দপুর মোটরসাইকেল সমিতির সভাপতি রিংকু দাশ ও সদস্য পান্ডব রায়, আটপাড়া মোটরসাইকেল সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আহমদ ও চুরি যাওয়া মোটরসাইকেলের মালিক ও শাল্লা মোটরসাইকেল সমিতির সদস্য লিজন দাশ।
বক্তরা বলেন, দুইমাস আগে আমাদের সহকর্মীর মোটরসাইকেলটি চুরি হয়েছিল। আমরা ইউএনও এবং থানার ওসির কাছে লিখিত আবেদন করেও কোনো সন্তোষজনক উত্তর পাইনি। বাহারা ইউনিয়নের মন্নানপুরের চিহ্নিত চোর ফয়সল আহমেদ মোটরসাইকেলটি ফেরত দেওয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিক লিজনের কাছ থেকে। চোর চিহ্নিত করে ফয়সলকে পুলিশ আটকও করেছিল। ফয়সল দুই দিনের মধ্যে মোটরসাইকেল উদ্ধার করে দিবে বলে থানা থেকে বের হয়ে যায়। কিন্তু আজও মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়নি, পুলিশ কোনো ব্যবস্থাও নেয়নি।
এ ব্যাপারে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামান বলেন,‘ শুনেছি ঘটনাটি বেশ আগের। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের দিন একজন বিট অফিসার ছেলেটিকে আটক করেছিল। যার মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে সেই তাকে ছাড়িয়ে নিয়েছে, বলেছিল পরে লিখিত অভিযোগ দিবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

