সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে বাগুয়া গ্রাম থেকে কৃষকের মহিষ চুরির পর জামালগঞ্জের হালীর হাওরে জবাই করে মাংস নিয়ে যাওয়ার পর এবার জগন্নাথপুর উপজেলায় রাতের আধারে গাভী ও বাছুর চুরির পর হাওরে জবাই করে সকল মাংস নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলি ইউনিয়নের আলীপুর গ্রাম থেকে গাভী ও বাছুর চুরির পর এমন কান্ড করেছে দুর্বৃত্তরা।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল মঙ্গলবার রাতের কোন এক সময়ে আলীপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের বসতঘর থেকে একটি গাভী ও বাছুর চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। আজ বুধবার সকাল বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় কৃষকেরা হাওরে গেলে ধান খেতে চুরি যাওয়া গাভী ও বাছুরটি শিং ও চামড়া দেখতে পান। রবিউল ইসলামের চুরি যাওয়া গাভী ও বাছুর জবাই করে মাংস নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
পাটলি ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আবু ছালেহ বলেন,‘ এমন ঘটনা আমাদের এলাকায় আগে ঘটেনি বা জীবনেও শুনিনি। একটি গাভী কৃষক পরিবারের অনেক উপকার করে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আলীপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের একটি গাভী ও বাছুর গত রাতে চুরির পর হাওরে জবাই করে মাংস নিয়ে গেছে।’
এ বিষয়ে জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম বলেন,‘ আলীপুর গ্রাম থেকে গাভী ও বাছুর চুরির পর জবাই করে মাংস নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। কেউ ঘটনাটি পুলিশকে জানায়নি। ঘটনার খোঁজ-খবর নেওয়া হবে।’
প্রসঙ্গত, গত ১৮ মার্চ বুধবার রাতে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বাগুয়া গ্রাম থেকে কৃষক তারা মিয়ার একটি মহিষ চুরির পর জামালগঞ্জের হালীর হাওরে জবাই করে মাংস নিয়ে যায় চোরেরা। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে হালীর হাওরে জবাই করা মহিষের মাথা ও চামড়া পাওয়া যায়। এই ঘটনায় জামালগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন তিনি। পুলিশ সাচনা বাজার চুরি যাওয়া মহিষের মাংস উদ্ধার ও দুইজনকে গ্রেফতার করেছে।

