logo
ads

আব্দুল্লাহপুরে ঘরমুখো মানুষের ঢল, বাস সংকট ও বাড়তি ভাড়ায় চরম দুর্ভোগ

এফ টিভি ডেস্ক

প্রকাশকাল: ১৬ মার্চ ২০২৬, ১১:২৭ পি.এম
আব্দুল্লাহপুরে ঘরমুখো মানুষের ঢল, বাস সংকট ও বাড়তি ভাড়ায় চরম দুর্ভোগ

ছবি: ঢাকা পোস্ট

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে রাজধানী ঢাকা থেকে বাড়িমুখী মানুষের ঢল নেমেছে আব্দুল্লাহপুর বাস টার্মিনালে। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কসহ এর আশপাশের সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে বাস সংকটের সুযোগে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে পরিবহন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকা এবং অতিরিক্ত ভাড়া গুনেও চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ঘরমুখো যাত্রীরা।

সোমবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের এয়ারপোর্ট, আজমপুর, হাউজ বিল্ডিং, আব্দুল্লাহপুরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তার পাশে শত শত যাত্রী বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। আব্দুল্লাহপুর থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত মহাসড়কে ধীরগতিতে যান চলাচলের কারণে যানজটে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

যাত্রীদের অভিযোগ, আন্তঃজেলা ও অন্তঃজেলার অনেক বাস বাড়তি আয়ের আশায় নির্ধারিত রুট ছেড়ে একাধিক ট্রিপ দিচ্ছে। ফলে নির্দিষ্ট রুটে বাসের সংকট দেখা দিয়েছে এবং সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়েছে।

তারা জানান, ঢাকা থেকে এই রুটে রংপুর যেতে যেখানে সাধারণ সময়ে বাস ভাড়া ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা সেখানে বর্তমানে ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। বাস না পেয়ে অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে ট্রাকসহ বিভিন্ন বিকল্প পরিবহনে যাতায়াত করছেন। এসব ট্রাকেও জনপ্রতি ৫০০ থেকে সাড়ে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।

রংপুরগামী যাত্রী রিয়াজুল বলেন, ঢাকা থেকে রংপুর যেতে সাধারণত ৫০০ টাকা ভাড়া লাগে। এখন বাসে উঠতে গিয়ে ১৫০০ টাকা চাইল। বাধ্য হয়েই যাচ্ছি। সড়ক মন্ত্রী বলছে বাড়তি ভাড়া লাগবে না কিন্তু এখানে দেখার কেউ নেই।

গার্মেন্টস কর্মী রহিমা খাতুন বলেন, ময়মনসিংহ যাব, কিন্তু বাসই পাচ্ছি না। বিকেলে থেকে দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে বাস না পেলে ট্রাকে করে হলেও যেতে হবে। বাস কম, যাত্রী বেশি এই সুযোগে সবাই ভাড়া বাড়াচ্ছে।

তবে বাড়তি ভাড়ার বিষয়ে অভিযোগ অস্বীকার করে কাউন্টার মাস্টাররা জানান, বাস ফেরার সময় খালি থাকে, তাই হয়ত কিছু টাকা বাড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে সেটা আহামরি কিছু না।

উত্তরা আজমপুর পাবনা এক্সপ্রেস কাউন্টারের ম্যানেজার বাচ্চু মিয়া বলেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরে অনেক জায়গায় যান চলাচলের ধীরগতির কারণে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে সময়মতো গাড়ি আসতে পারছে না। এ কারণে কিছু শিডিউল এলোমেলো হয়েছে। তবে আমরা যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি। 

সূত্রঃ ঢাকা পোস্ট

এই বিভাগের আরও খবর

Advertisement

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ