logo
ads

সম্পত্তি বিরোধের জেরে ভাবীকে পিটিয়ে হত্যায় দেবরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশকাল: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০২ পি.এম
সম্পত্তি  বিরোধের জেরে ভাবীকে পিটিয়ে হত্যায় দেবরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ছবি: এফটিপি

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রির বিরোধের জেরে ভাবী হামিদা খানম (৬০) কে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা ও নাতনী রুমা আক্তার সীমা (৪) কে  হত্যাচেষ্টার অপরাধে আসামি মো. আজলু মিয়াকে (৪০) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ রবিবার সুনামগঞ্জের ১ম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আকবর হোসেন এই আদেশ দিয়েছেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. শেরেনুর আলী।

মামলা ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর দিরাই পৌরসভার নতুন বাগবাড়ী এলাকায় এই নির্মম ঘটনাটি ঘটেছিল।  নিহত হামিদা খানমের জামাতা মো. মফশ্বির আলী জানান, পৈতৃক সম্পত্তি কম দামে বিক্রি করাকে কেন্দ্র করে আসামি আজলু মিয়ার সাথে তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী হামিদা খানমের বিরোধ সৃষ্টি হয়। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় আসামি চাচা শ্বশুর আজলু মিয়া তার বড় ভাবির বসতঘরে প্রবেশ করে লোহার হাতুড়ি দিয়ে শাশুড়ী হামিদা খানম ও নাতনী রুমা আক্তার সীমার উপর হামলা চালায়। হাতুড়ির উপর্যুপরি আঘাতে ঘটনাস্থলেই শাশুড়ী হামিদা খানম মৃত্যুবরণ করেন এবং শিশু সীমা গুরুতর আহত হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দারা আজলু মিয়াকে হাতুড়িসহ ঘটনাস্থল থেকে আটক করে এবং আহতদের উদ্ধার দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে শিশু রুমা আক্তার সীমাকে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

ঘটনার পরদিন  আটক আজলু মিয়ার বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর দিরাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। আদালত আসামী আজলু মিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করে আজ এই রায় প্রদান করেন।

এই বিভাগের আরও খবর

Advertisement

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ