প্রাথমিক শিক্ষা পদকের জন্য সুনামগঞ্জ জেলায় ৯টি শ্রেষ্ঠ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৭ জন শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক, ১০ জন শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা, ১২ জন শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক ও ১০ জন শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষিকা নির্বাচিত করা হয়েছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা পদক যাচাই-বাচাই কমিটি গত ১৯ মে মঙ্গলবার নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের তালিকা জেলা পর্যায়ে নাম পাঠিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহন লাল দাস ।
জেলার ৯টি শ্রেষ্ঠ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (সপ্রাবি) হল, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মল্লিকপুর মডেল সপ্রাবি, দোয়ারাবাজারের টেংরা সপ্রাবি, বিশ্বম্ভরপুরের রতারগাঁও সপ্রাবি, জামালগঞ্জের সাচনা আদর্শ সপ্রাবি, ধর্মপাশার ২ নং সপ্রাবি, শাল্লার ঘুঙ্গিয়ারগাঁও সপ্রাবি, জগন্নাথপুরের রতিয়ারপাড়া বাদশা মিয়া সপ্রাবি, শান্তিগঞ্জের রথপাড়া সপ্রাবি, মধ্যনগরের মধ্যনগর সপ্রাবি, তবে ছাতক, তাহিরপুর ও দিরাই উপজেলার কোন সপ্রাবি শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত করা হয়নি।
শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকা হলেন, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার এরালিয়া সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষক সুব্রত বণিক ও জানীগাঁও সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষিকা সুস্মিতা ভট্টাচার্য্য। দোয়ারাবাজার উপজেলার গোবর্ন্ধনগঞ্জ সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষক জ্যোতির্ময় রায় ও চন্ডিপুর সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষিকা মমতাজ বেগম।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার কাটাখালী সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষক রজত কান্তি দাস ও ছয়হারা সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষিকা মনোরমা সরকার। ধর্মপাশা উপজেলার হলিদাকান্দা দক্ষিণ সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষক আব্দুল হালিম তালুকদার ও লংকা সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষিকা নিয়তী রানী তালুকদার।
শাল্লা উপজেলার চাকুয়া সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষক অসীম কান্তি সিংহ ও কান্দিগাঁও সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষিকা কানন বালা সরকার। জগন্নাথপুর উপজেলার লুদরপুর সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালিক ও হবিবপুর সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষিকা ছালেহা পারভীন। শান্তিগঞ্জ উপজেলার শ্যামনগর সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন ও জামলাবাজ সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষিকা সুমা চক্রবর্তী।
জামালগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষিকা ইসরাত জাহান। দিরাই উপজেলার নতুন কর্নগাঁও সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষিকা প্রীতি রানী দাস ও মধ্যনগর উপজেলার কাহালা সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষিকা পপি সরকার।
জামালগঞ্জ ও মধ্যনগরে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত করা হয়নি। ছাতক ও তাহিরপুরের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকা নির্বাচিত করা হয়নি।
শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা হলেন, সদর উপজেলার অচিন্তপুর সপ্রাবি’র সহকারী শিক্ষক কনক লাল চক্রবর্তী, এই উপজেলায় কোন সহকারী শিক্ষিকা নির্বাচিত হননি। দোয়ারাবাজার উপজেলার বেরী সপ্রাবি’র শিক্ষক রিপন মিয়া ও নৈনগাঁও সপ্রাবি’র শিক্ষিকা প্রিয়াংকা দাস। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার কাচিরগাতি সপ্রাবি’র শিক্ষক মো. নুরুদ্দিন ও মাঝাইর সপ্রাবি’র শিক্ষিকা হাফিজা আক্তার।
ছাতক উপজেলার খাসগাঁও সপ্রাবি’র শিক্ষক খালিদুর রহমান ও মন্ডলীভোগ সপ্রাবি’র শিক্ষিকা মুনমুন সরকার। তাহিরপুর উপজেলার উমেদপুর সপ্রাবি’র শিক্ষক সঞ্জয় পুরকায়স্থ, তবে এই উপজেলায় সহকারী কোন শিক্ষিকা নির্বাচিত হননি।
জামালগঞ্জ উপজেলার নুরপুর সপ্রাবি’র শিক্ষক জয়ন্ত পাল ও ধানুয়াখালী সপ্রাবি’র শিক্ষিকা খাতিবুন নেছা। ধর্মপাশা উপজেলার ২ নং সপ্রাবি’র শিক্ষক মাহমুদুল হাসান ও মেউহারী সপ্রাবি’র শিক্ষিকা দিলরুবা ইয়াসমিন।
শাল্লা উপজেলার শান্তিপুর ইসমাইল মিয়া সপ্রাবি’র শিক্ষক সীমান্ত তালুকদার ও ঘুঙ্গিয়ারগাঁও সপ্রাবি’র শিক্ষিকা শাহীনুর আক্তার। দিরাই উপজেলার আলীনগর সপ্রাবি’র শিক্ষক আফতাব উদ্দিন, তবে এই উপজেলায় কোন সহকারী শিক্ষিকা নির্বাচিত হননি।
জগন্নাথপুর উপজেলার ইসলামপুর সপ্রাবি’র শিক্ষক শরীফ উল মামুন ও জগন্নাথপুর উপজেলার ওয়ারিদ উল্যাহ সপ্রাবি’র শিক্ষিকা সৈয়দা জাহেদা বেগম। শান্তিগঞ্জ উপজেলার ডিকেসিআর সপ্রাবি’র শিক্ষক আনোয়ার হোসেন ও ইয়াকুব আলী কামরুপদলং সপ্রাবি’র শিক্ষিকা ডেইজী তালুকদার। মধ্যনগর উপজেলার ফারুকনগর সপ্রাবি’র শিক্ষক অজয় কুমার রায় ও কাইটাকোনা সপ্রাবি’র শিক্ষিকা তুরানা মানখিন।
প্রসঙ্গত, সুনামগঞ্জ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১৪৭৫ টি। প্রধান শিক্ষকের পদ রয়েছে ১৪৭৫ টি, কর্মরত আছেন ১০৪৮ জন, পদশূন্য আছে ৪২৮টি। সহকারী শিক্ষকের পদ রয়েছে ৭২৫৮টি, কর্মরত আছেন ৬০৭২ জন ও পদশূন্য ১১৮৬ টি।