৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৪ পি.এম

শাল্লায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর গাফিলতিতে চরম জনদুর্ভোগ! 

শাল্লায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর গাফিলতিতে চরম জনদুর্ভোগ! 

শাল্লা উপজেলার জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তার গাফিলতি ও অবহেলাযর কারনে দীর্ঘদিন ধরে একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর অধীনে থাকা বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাইপলাইন ছিদ্র হয়ে  উপজেলার ফায়ার সার্ভিস রোডে প্রায় এক বছর ধরে রাস্তায় পানি জমে রয়েছে। এতে উপজেলার  শাল্লা ও বাহাড়া ইউনিয়নের হাজারো মানুষের প্রতিদিন চলাচল করে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে!  রাস্তাটির এমন করুণ অবস্থার কারণে সাধারণ জনগণ, শিক্ষার্থী এবং জরুরি সেবার যানবাহন মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। বিশেষ করে সদরস্হ শাল্লা সরকারি কলেজ,সরকারি হাসপাতাল, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সেবাগ্রহীতা ও স্থানীয় শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে এই রাস্তা ব্যবহার করছে। এতে তাদের স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বরত ইনচার্জ জয়ন্ত সিংহ জানান, এই রাস্তাটি আমাদেরকে মারাত্মকভাবে ভাবে ভোগাচ্ছে। কতৃপক্ষের কাছে আমরা বারবার অভিযোগ জানিয়েছি। মাঝেমধ্যে ঠিক করে দেওয়া হলেও কম সময়ের মধ্যেই আবার পাইপলাইন ছিদ্র হয়ে যায়। তিনি বলেন, তাদের যান চলাচলেও সৃষ্টি হচ্ছে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা। যা যে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দা রফিক মিয়া ও মোহাম্মদ আজিজ মিয়া জানান, “প্রায় এক বছর ধরে এই অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। প্রতিদিন মানুষ কষ্ট করে চলাচল করছে। আমরা বারবার অভিযোগ জানিয়েও কোনো সমাধান পাইনি। পথচারী মামুন মিয়া নামের এক যুবক বলেন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই রাস্তা দিয়ে বাইক চালাতে হচ্ছে। বিশুদ্ধ ওয়াটার ট্যাংকের পাইপলাইনটি মেরামত করে কতৃপক্ষকে দ্রুত সমাধানে কাজ করার কথা জানান তিনি। 

এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলামকে তার অফিসে গিয়ে উপস্থিত পাওয়া যায় নি। ফোন করা হলেও তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর কার্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে দুএকদিনের মধ্যেই পাইপলাইনটি মেরামত করে দেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, বিষয়টি শুনেছি সমাধানের জন্য প্রকৌশলীকে বলে দেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ খালেকুজ্জামানকে বলেন আমি খোঁজখবর নিয়ে প্রকৌশলীকে বলে দিচ্ছি। তিনি বলেন এটা টেকনিক্যালি কোন সমস্যা হতে পারে। সমাধান করার জন্য বলে দিচ্ছি।