ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, হাওরের পানি নিষ্কাশনে কিছু প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। বিগত সরকারের সময়ে এটি শুরু হয়। তখন যে মাননীয় প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তিনি হাওরের সন্তান বলতেন, আমরা খুশি হতাম। সেই এলাকার আরেক উচ্চ পদস্থ, ভাতের হোটেল নামে পরিচিত হারুন, এদের কারণে এখানে হাজার হাজার কোটি টাকা নষ্ট করে যে রাস্তাগুলো করা হয়েছিলো। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ছিল না। এখন ভারি বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলের কারণে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। কিভাবে দ্রুত পানি নিষ্কাশন করা যায় তা আমরা দেখছি।‘
মন্ত্রী আরও বলেন, চূয়াত্তরে দেশে মারাত্মক দুর্ভিক্ষ হয়েছিলো। এটি ছিলো অযোগ্যতা এবং কিছু ব্যক্তির পরিকল্পিত। গবির জনসাধারণের খাবার বাইরের দেশে পাচার করে দিয়ে এই দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করা হয়েছিলো। আমরা খুবই সর্তক, আমরা খাদ্যের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছি।
আজ শনিবার দুপুরে ভূমি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ও সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাসনরাজা মিলনায়তনে “সরকারি জলমহাল আইন” ২০২৬ এর খসড়া চূড়ান্তকরণ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী। কর্মশালায় সিলেট বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মৎস্যজীবী প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে মতামত তুলে ধরেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, জেনেছি হাওর এলাকার মানুষের কাঁচা ধান জলাবদ্ধাতায় ডুবেছে। এনিয়ে কৃষকের মনে দু:শ্চিন্তা তৈরি হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি অবগত আছেন। ভূমধ্য সাগরে এই এলাকার এগারোজন মারা গেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এমপিদের নির্দেশ দিয়েছেন সবার বাড়িতে যাওয়ার জন্য।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, প্রকৃত মৎস্যজীবী যারা আছেন তাদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা হবে। তাদেরকে সামনে রেখে স্বচ্ছ একটি তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। যাতে প্রকৃত মৎস্যজীবীরা যেন জলাশয় কিংবা মৎস্য চাষে স্থান পায়। সরকার দুর্নীতির বিষয়ে জিরো টলারেন্স। অতীতে যে সরকার দুর্নীতি করেছে সেটার বিপরীতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন কাজ করে যাবো।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এস সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জ ৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন, সুনামগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. নুরুল ইসলাম নুরুল, সুনামগঞ্জ ৩ আসনের সংসদ সদস্য কয়ছর আহমদ, সুনামগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী