১৪ মার্চ ২০২৬, ০১:১৬ পি.এম

৪১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

৪১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ছাতকে ব্যবসার অংশীদারিত্বের নামে প্রতারণা করে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় ৪১ লাখ ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা হলেন- তাহিরপুর উপজেলার হলহলিয়া চরগাঁও গ্রামের আলী আহমদের ছেলে মাহমুদ হাসান এবং সিলেট নগরীর টিলাগড় কালাশীল এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে মুমিনুর রহমান পাটোয়ারী। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ছাতকের বালু-পাথর ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান মেসার্স সিয়াম এন্টারপ্রাইজের পরিচালক হাজী বুলবুল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে বালু-পাথরের ব্যবসার সাথে জড়িত। ব্যবসায়িক সূত্রে তার সাথে মাহমুদ হাসান ও মুমিনুর রহমান পাটোয়ারীর পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে তারা বুলবুল আহমেদকে ব্যবসায় অংশীদার হওয়ার প্রস্তাব দেন। পরে বুলবুল আহমেদের ছোট ভাই মছরু মিয়ার কাছ থেকে বোল্ডার পাথর ক্রয়ের কথা বলে বিভিন্ন সময়ে একাধিক ব্যাংকের মাধ্যমে মোট ৪১ লাখ ২০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে টাকা নেওয়ার পরও তারা প্রতিশ্রুত ব্যবসা বা টাকা ফেরত না দিয়ে টালবাহানা করছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী। হাজী বুলবুল আহমেদ জানান, পাওনা টাকা চাইলে অভিযুক্তরা তাকে উল্টো ভয়-ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। তিনি বলেন, আমার পাওনা টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সময়ে সালিশ-বৈঠকের চেষ্টা করা হলেও কোনো সমাধান হয়নি। বরং আমাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে বৃহস্পতিবার রাতে ছাতক থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাহমুদ হাসান বলেন, ঢাকার হারুন এবং বুলবুল দুইজনই আমার কাছ থেকে বালু-পাথর নিয়েছেন। আমার কাছে বুলবুলের ৫৫ লাখ টাকা এবং হারুনের কাছে ৪৪ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। তাদের একজনের বিরুদ্ধে আমি ইতোমধ্যে চেক ডিজঅনার মামলা করেছি। এখন তারা আমার টাকা না দিয়ে উল্টো আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে। এ বিষয়ে ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।