১০ মার্চ ২০২৬, ১১:০৪ পি.এম

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের চেয়েও ‘অনেক বড়’ বিশ্বকাপ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের চেয়েও ‘অনেক বড়’ বিশ্বকাপ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক সংঘাতের আঁচ বিশ্বকাপে লাগতে দিতে নারাজ ফিফা। পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ীই ফুটবলের মহাযজ্ঞ মাঠে গড়াবে বলে আশাবাদী বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্তা সংস্থার প্রধান অপারেটিং অফিসার হাইমো শিরগি। তার মতে, যেকোনো যুদ্ধের চেয়েও অনেক বড় ফুটবল বিশ্বকাপ।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র একযোগে ইরানে বিমান হামলা শুরু করে। জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান। কদিন আগে দেশটির ফুটবল প্রধান মেহদী তাজ বলেন, চলতি যুদ্ধাবস্থায় বিশ্বকাপে খেলার কথা ভাবতে পারছেন না তারা। ইরানের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার তেমন কোনো সম্ভাবনা দেখেন না তিনি। ডালাসে সোমবার ইন্টারন্যাশনাল ব্রডকাস্ট সেন্টারে বিশ্বকাপে ইরানের খেলার অনিশ্চয়তা নিয়ে জিজ্ঞেস করা হয় শিরগিকে। তিনি বলেন, সবাইকে নিয়েই টুর্নামেন্টটি আয়োজন করতে চান তারা।

“কোনো এক পর্যায়ে আমরা সমাধান পাব এবং বিশ্বকাপ অবশ্যই হবে। বিশ্বকাপ অনেক বড় এবং আশা করি যোগ্যতা অর্জন করা সবাই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে।” শিরগি জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ফিফা। প্রতিদিনের ঘটনাবলি মূল্যায়নের জন্য ফেডারেল ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছে ফিফা। এশিয়ান অঞ্চলের বাছাই পেরিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে ইরান। ‘জি’ গ্রুপে পড়েছে তারা। আগামী ১৬ জুন লস অ্যাঞ্জেলসে নিউ জিল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার কথা তাদের। একই মাঠে তাদের পরের ম্যাচ বেলজিয়ামের বিপক্ষে, আগামী ২১ জুন। আর সিয়াটলে ২৭ জুন তাদের প্রতিপক্ষ মিশর। ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফুটবল বিশ্বকাপ। প্রথমবারের মতো ৪৮ দল নিয়ে হবে এই টুর্নামেন্ট। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় যৌথভাবে হবে বিশ্বকাপের আসন্ন আসর। যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি শহর, মেক্সিকোর তিনটি ও কানাডার দুটি শহরে হবে ম্যাচগুলো।

সুত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম